চিরতা গুড়া (শতভাগ প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে প্রক্রিয়াজাতকৃত ও প্রস্তুতকৃত) ১০০ গ্রাম

৳ 100.00

চিরতার স্বাদ তেতো হলেও এই ফলটির রয়েছে নানান গুণ। চিরতার পাতলা ডালপালা ধুয়ে পরিষ্কার করে গ্লাস বা বাটিতে পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রেখে সকালে ওই পানি খেতে অনেক উপকার পাওয়া যায়।
ইউনানী চিকিৎসা অনুযায়ী চিরতা হৃৎপিণ্ড ও যকৃতের সবলকারক, চোখের জ্যোতিবর্ধক ও জ্বর রোগে বিশেষ উপকারী এই চিরতা।
Category:

চিরতার উপকারিতাঃ

১। শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।
২। নিয়মিত তিতা খাবার খেলে অসুখ হওয়ার প্রবণতা কম থাকে। চিরতা এরমধ্যে অন্যতম।
৩। চিরতা খেলে যেকোনো কাটা, ছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত শুকায়।
৪। ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য চিরতা ভীষণ জরুরি পথ্য। চিরতার রস দ্রুত রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে দেয়।
৫। উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল, উচ্চরক্তচাপ, অতি ওজনবিশিষ্ট ব্যক্তির জন্যও চিরতা দরকারি।
৬। টাইফয়েড জ্বর হওয়ার পর আবারও অনেকের প্যারাটাইফয়েড জ্বর হয়। তাই টাইফয়েড জ্বরের পরে চিরতার রস খেলে যথেষ্ট উপকার পাওয়া যায়।
৭। চিরতার রস কৃমিনাশক।
৮। তারুণ্য ধরে রাখতেও চিরতার গুরুত্ব অপরিসীম।
৯। শরীরের ঝিমুনিভাব, জ্বরজ্বর লাগা দূর করে চিরতার রস।
১০। নিয়মিত তিতা বা চিরতার রস খেলে ফুড পয়জনিং হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে।
১১। চিরতা রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে।
১২। যাদের ডায়াবেটিস নেই কিন্তু রক্তে চিনির পরিমাণ সবসময় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে, তাদের জন্য চিরতা গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।
ব্যবহারের নিয়মঃ

ইনফ্লুয়েঞ্জা হলে ৫ থেকে ১০ গ্রাম চিরতা ৪ কাপ পানিতে সিদ্ধ করে ২ কাপ করুন। এর পর ওই পানি ছেঁকে সকালে অর্ধেক এবং বিকালে অর্ধেক করে পান করুন। অ্যালার্জিতে শরীর ফুলে উঠলে চিরতার পানি পান করলে উপকার পাবেন। রাতে ৫ গ্রাম চিরতা ২৫০ মিলিলিটার গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে ওই পানি ২-৩ বার পান করুন। গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে বমিভাব হলে ১ গ্রাম চিরতা গুড়ো করে চিনির পানি মিশিয়ে পান করলে বমি বন্ধ হয়ে যাবে।

জ্বরের কারণে বারবার বমি হতে থাকলে সে খেত্রে ২ কাপ গরম পানিতে ৫ গ্রাম চিরতা একটু থেঁতো করে ভিজিয়ে রাখুন। দু-তিন ঘণ্টা পর ছেঁকে পানি অল্প অল্প করে পান করুন। হাঁপানির প্রকোপ বেশি হলে আধা গ্রাম চিরতা গুড়া ৩ ঘণ্টা পর পর মধু মিশিয়ে ২ থেকে ৩ বার অল্প অল্প করে চেটে খান। হাঁপানির প্রকোপ কমবে। কৃমির উপদ্রব হলে ২৫০ থেকে ৫০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত চিরতা অল্প মধু বা একটু চিনি মিশিয়ে খান, সমস্যা মিটবে। এ ছাড়া কৃমির কারণে যদি পেটব্যথা হয়, তাও সেরে যাবে। চুল পড়ে যাওয়াও রোধ করা যায় চিরতার মাধ্যমে। খুশকি থাকলে তাও সেরে যাবে চিরতার গুণে।

এটি একটানা ১০-১৫ দিনের বেশি খাওয়া ঠিক না। কেননা এতে হিতের বিপরীত হতে পারে যেমন কিডনির সমস্যা ও যৌণ সমস্যা হতে পারে।

ন্যাচারাল পাওয়ার থেকে কেন নিবেন?

* শতভাগ বিশুদ্ধ এবং স্বাস্থ্যসম্মত।
* ভেজাল উপাদানের মিশ্রণ মুক্ত।
* ধুলা-বালির মিশ্রণ মুক্ত।
* খাঁটি চিরতা গুড়ার নিশ্চয়তা।
* নিজস্ব তত্ত্বাবধাণে প্রক্রিয়াজাত এবং প্যাকেজিংকৃত।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “চিরতা গুড়া (শতভাগ প্রাকৃতিক ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে প্রক্রিয়াজাতকৃত ও প্রস্তুতকৃত) ১০০ গ্রাম”

Your email address will not be published. Required fields are marked *